বৈশাখি মেলা অনুচ্ছেদ প্যারাগ্রাফ | বাংলা ২য় পত্র অনুচ্ছেদ রচনা

বৈশাখি মেলা অনুচ্ছেদ প্যারাগ্রাফ

নিরপেক্ষ চেতনায় সম্প্রদায় উজ্জীবিত বাঙালি জাতির পাহেলা বৈশাখ একটি সর্বজনীন মানব। নববর্ষের এলোকে আরও শক্তি সৃষ্টি করে বৈশাখী মেলা। বৈশাখী মেলা। কেননা, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের মহা মিলন-ক্ষেত্র হয়ে এই মেলা। নববর্ষকে কেন্দ্র করে স্থানীয় গ্রাম ও বৈশাখী মেলার খেলার আয়োজন করা হয়। যদিও বৈশাখী মেলার প্রাধান্য আরও। বৈশাখী মেলা গ্রাম্য মেলার । দূরে ‘মেলা’ মধ্য অর্থ মিলিত। গ্রামবাংলার মানুষ বৈশাখী আদর্শ উপলক্ষ্যে মিলিত হওয়া আনন্দ উপভোগ করে। বৈশাখ প্রথম পাতা শুরু হতে মাস খুঁজে বের করুন। কুটিরশিল্পের এমন কোনো পণ্য নেই যে বৈশাখী মেলায় দৃষ্টিগোচর হয়। স্থানীয় যোগাযোগ মেলা কৃষিজাত পণ্য, কারুপণ্য, লোকশিল্প, কুটির শিল্প এবং মৃৎশিল্পজাত পণ্য ক্রয় করে। শুধু কি তাই শিশু-কিশোর খেলনা, আমাদের সাজসজ্জার সামগ্রী এবং বিভিন্ন লোকজ খাবার যেমন-কড়া, মুড়ি, খই, বাতাসা সহ হরেক রকমের তথ্যের সমারোহ থাকে বৈশাখী মেলায়। মেলাতে শিশু-শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা, জাদুখেলা, পুতুলনাচ ইত্যাদির ব্যবস্থাও থাকে। বিভিন্ন অঞ্চলের লোকগায়কদের গানে মেলার প্রাঙ্গণ মুখরিত থাকে। কোনো অঞ্চলে মেলা উপলক্ষ্যে ভ্রমণপালার করা হয়। সার্কাসের প্রচলনও রয়েছে অনেক জায়গায়। প্লান করে মেলার আনন্দ দ্বিগুণ দূর হয়। এদেশের ছেলে, বুড়ো, নিজের মানুষ এ মেলায় আনন্দে পুলকিত হওয়া অংশ। নতুন বাংলা বর্ষকে বর আরও ভালোলাগার পরিপূর্ণতা দেয় বৈশাখী মেলা। এই মেলা বাংলার ঐতিহ্য ঐতিহ্য। দিনদিন পার্টিও বৈশাখী মেলার প্রচলন ও প্রকাশতা নির্বাচনে। এর ফলে তরুণ প্রজন্মের কাছে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলার বছর বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। আমাদের ঐকান্তিক শান্তিক বৈশাখী মেলার সাংস্কৃতিক ও সংস্কৃতি চিরকাল স্থায়ী বাংলার মাধ্যমে থাক।

বৈশাখী মেলা  ২

বৈশাখী মেলা নববর্ষের সর্বজনীন অনুষ্ঠানের একটি। থেকে বাংলাদেশে ছোট-বড় অনেক মেলা শুরু হয়
নতুন বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ। স্থানীয় লোকজন এসব মেলার আয়োজন করে থাকে। সময়কাল
মেলা সাধারণত এক থেকে সাত দিনের হয়। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় এই মেলা চলে পুরো বৈশাখ মাস জুড়ে।
উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর জেলার নেকমর্দনে পহেলা বৈশাখে যে মেলা অনুষ্ঠিত হয়, সেটিই সবচেয়ে বড়।
এবং উত্তরবঙ্গের সর্বশ্রেষ্ঠ মেলা। সাধারণত এই মেলা চলে এক সপ্তাহ ধরে। উত্তরবঙ্গের কোনো বস্তু নেই
যা এই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে না। এই মেলা সবার জন্য উপযোগী করা হয়. নাচ, গান, নাগরদোলা ইত্যাদি। হয়
মেলার হাজার বছরের ঐতিহ্য হিসেবে ধরা হয়। মেলার দিনগুলোতে তরুণ-তরুণী সবারই পোশাক
আপ বাংলাদেশের মেলায় এদেশের হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন পণ্যের সন্ধান পাওয়া যায়, যেগুলোকে ধরা হয়
বাঙালি ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। বৈশাখী মেলা বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সমারোহ।
এই মেলা সবার জীবনে বয়ে আনে আনন্দের বন্যা, ধুয়ে দেয় কাজের ক্লান্তি ও মানসিক অস্থিরতা।
সারা বছর. আমরা নতুন করে বাঙালি ঐতিহ্য লালন করতে অনুপ্রাণিত।

একই উত্তরণ আবার সংগ্রহ করা হয়

বৈশাখী মেলা নববর্ষের সর্বজনীন অনুষ্ঠানের একটি। নববর্ষ উপলক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়
বৈশাখ মাসের প্রথম দিনে দেশের শহর ও গ্রামে। এ মেলার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই।
একদিন থেকে শুরু হয়ে এক মাস ধরে চলে এই মেলা। নতুন বছরে মানুষের মনে আনন্দের অনুভূতি
প্রকাশ পায় বৈশাখী মেলার মাধ্যমে। এটি বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে প্রচলিত। বৈশাখী মেলা হয়েছে
প্রাচীনকাল থেকে আমাদের দেশে চলে আসছে। বিভিন্ন উত্সব এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা
এই মেলা উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে। বল খেলা, ঘোড়দৌড়, বোটিং এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য
তাদের বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে। প্রতি বছরই এই মেলার সকালের আসর বসে
রমনার গোড়ায় অনুষ্ঠিত। এ ছাড়া গ্রামের বাজারে, নদীর তীরে, এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়
মন্দির চত্বর। মেলা উপলক্ষ্যে মানুষের ভিড়ে পরিণত হয়। প্রাণচঞ্চলতা দেখা যায়
মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, বিভিন্ন ধরনের কুটির শিল্প, খেলনাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য
জড়ো হয় এই মেলায়। এছাড়াও থাকছে যাত্রা, পুতুল নাচ, নাগরদোলা, সহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান।
সার্কাসের মেলায় নানা ধরনের মিষ্টিও পাওয়া যায়। নতুনদের স্বাগত জানাতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।
এই মেলায় ধর্মীয় চেতনা পরিলক্ষিত হয় না। তাই এটি একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়। মেলা হয়ে যায় a
জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকলের মিলনের স্থান। এটা প্রগতিশীল চেতনা জাগ্রত করে।
মানুষ. তাই এ মেলার গুরুত্ব সব দিক থেকেই অপরিসীম। এতে আমরা অনুপ্রাণিত হই
আবার লালন করো বাঙালির ঐতিহ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top